
ছবি সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা। পাল্টা ব্যবস্থা নিতে মার্কিন বাহিনীও ভারত মহাসাগরে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে। এতে আঞ্চলিক অস্থিরতা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৮ মার্চ) ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এক শীর্ষ কমান্ডার দেশটির জনগণ এবং মিত্রশক্তিগুলোকে সম্ভাব্য অভিযানের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। এদিন ইরানজুড়ে পালিত কুদস দিবসে সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেন।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সামরিক উপদেষ্টা জানিয়েছেন, ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক অভিযানের পরিকল্পনা আগের তুলনায় আরও শক্তিশালীভাবে তৈরি করা হয়েছে। সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গোপন মিসাইল ঘাঁটিগুলো উন্নত করা হয়েছে এবং আগের অভিযানের তুলনায় এই হামলার পরিধি অনেক বড় হবে বলেও ইঙ্গিত দয়া হয়।
এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভারত মহাসাগরে নতুন করে সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে। ইসরাইলও জোরদার করেছে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা।
ইরান-সমর্থিত আঞ্চলিক মিত্রশক্তিগুলোও সক্রিয় রয়েছে। লেবানন, ইয়েমেনসহ অন্যান্য স্থানে প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত থাকলেও সামরিক উত্তেজনা কমানোর কোনো লক্ষণ নেই। ইরানের উচ্চপর্যায়ের সামরিক নেতৃত্ব আক্রমণের প্রস্তুতির কথা বললেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কবে নেয়া হবে তা স্পষ্ট নয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে এবং এটি আরও বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।